শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে একটি চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫০ বোতল ভারতীয় মদসহ দুইজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধারকৃত মদের সিজার মূল্য আনুমানিক ৭৫ হাজার টাকা।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালানবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার জামতলা কলোনি এলাকায় এ বিশেষ অভিযান চালায় হলদিগ্রাম ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা।
অভিযানকালে ৫০ বোতল ভারতীয় মদসহ হাতেনাতে দুইজনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো: ঝিনাইগাতী উপজেলার গোমরা গ্রামের মৃত ছফর আলীর ছেলে মো. সুলতান মাহমুদ (৩৮) এবং একই গ্রামের কালো গাজীর ছেলে মিস্টার আলী (৩৬)।
ঘটনায় আটককৃত দুই ব্যক্তি ছাড়াও পলাতক আরও তিনজনের বিরুদ্ধে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা দায়েরের আইনি প্রক্রিয়া চলছে। বিজিবি জানিয়েছে, আটক ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক চোরাচালান ও মাদকের মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্তে যেকোনো ধরনের চোরাচালান, মাদক পাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবির সদস্যরা সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মাদক নির্মূলে বিজিবি 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করছে এবং অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালানবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার জামতলা কলোনি এলাকায় এ বিশেষ অভিযান চালায় হলদিগ্রাম ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা।
অভিযানকালে ৫০ বোতল ভারতীয় মদসহ হাতেনাতে দুইজনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো: ঝিনাইগাতী উপজেলার গোমরা গ্রামের মৃত ছফর আলীর ছেলে মো. সুলতান মাহমুদ (৩৮) এবং একই গ্রামের কালো গাজীর ছেলে মিস্টার আলী (৩৬)।
ঘটনায় আটককৃত দুই ব্যক্তি ছাড়াও পলাতক আরও তিনজনের বিরুদ্ধে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা দায়েরের আইনি প্রক্রিয়া চলছে। বিজিবি জানিয়েছে, আটক ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক চোরাচালান ও মাদকের মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্তে যেকোনো ধরনের চোরাচালান, মাদক পাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবির সদস্যরা সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মাদক নির্মূলে বিজিবি 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করছে এবং অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
প্রতিনিধি :